ব্রেকিং নিউজ
🔴 ব্রেকিং নিউজ: আত্মত্যাগ ও পরম উৎসর্গের মহান আদর্শে মহিমান্বিত পবিত্র ঈদুল আজহা আজ: রাজধানীসহ সারা দেশে গভীর ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উদ্দীপনায় উদযাপিত হচ্ছে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব।     🔵 হামের ভ্যাকসিন প্রাইভেটে কিনে 'পয়সা খাওয়ার' ধান্দায় ইউনিসেফের সাতবারের রিমাইন্ডার উপেক্ষা করেছিল আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক দাবি।     🟢 ঈদযাত্রায় রাজধানীতে ডিএমপির নজিরবিহীন নিরাপত্তা: অতিরিক্ত ভাড়া নিলেই স্পট অ্যাকশন ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা কমিশনারের।     🔵 ঈদুল আজহার পরপরই আন্তঃনগর ট্রেনে নারী যাত্রীদের আলাদা বিশেষ কোচ যুক্ত করার মহাপরিকল্পনা রেলমন্ত্রীর।     🔵 এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী রাখা হবে না: খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেশের প্রতিটি জমি ও জলাশয়কে উৎপাদনের আওতায় আনার ঘোষণা কৃষিমন্ত্রীর।     🟢ট্রাফিক এআই ও ভিডিও মামলার নামে ছড়ানো ভুয়া এসএমএস ও ডিজিটাল প্রতারণা থেকে নগরবাসীকে সতর্ক থাকার জরুরি আহ্বান ডিএমপির।     🌍 পররাষ্ট্রনীতিতে মতপার্থক্য ও পারিবারিক কারণে ট্রাম্পের অঙ্গুলিহেলনে অবশেষে মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ।     🌐 ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি: ইরানের সঙ্গে চুক্তি হতে হবে 'বড় ও অর্থবহ', অন্যথায় আলোচনার টেবিল বর্জনের ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের।     🌍 যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানালেও চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা এখনই নাকচ করে দিল ইরান।     🌐 বিজেপির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে লড়াই আরও তীব্র করতে জুনের প্রথম সপ্তাহে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।     🏏⚽ জার্মান অর্থনীতিবিদ ইওয়াখিম ক্লেমেন্টের গাণিতিক সমীকরণে অবিশ্বাস্য পূর্বাভাস: ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে নেদারল্যান্ডস।

ট্রাম্পকে পিছু হটতে বাধ্য করবে ‘অর্থনৈতিক আঘাত’: দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি ইরানের

সত্যকথা ডেস্ক
 
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে সংঘাতের দশম দিনে এসে সুর আরও কড়া করল ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘস্থায়ী এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের জন্য তেহরান এখন পুরোপুরি প্রস্তুত বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে পিছু হটতে বাধ্য করতে প্রয়োজনে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর আক্রমণ অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দেশটি। ইরানের এই রণংদেহী অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
Iran-Israel long war analysis and global oil market impact


কূটনীতির পথ বন্ধ, লক্ষ্য এখন ‘অর্থনৈতিক চাপ’

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা কামাল খারাজি আজ সোমবার তেহরানে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ এখন কেবল ‘অর্থনৈতিক আঘাতের’ মাধ্যমেই শেষ হওয়া সম্ভব।” খারাজির মতে, যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে যে অর্থনৈতিক চাপ ও জ্বালানি সংকট তৈরি হচ্ছে, সেটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছাবে যখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং খোদ যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাত থামাতে বাধ্য হবে।

উপসাগরীয় দেশগুলোকে তেহরানের কড়া বার্তা

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর উচিত হবে ওয়াশিংটনকে যুদ্ধ বন্ধে চাপ দেওয়া। কামাল খারাজি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই যুদ্ধ অন্যদের ওপর প্রচুর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে—তা সে মুদ্রাস্ফীতিই হোক বা জ্বালানির অভাব। যুদ্ধ চলতে থাকলে এই চাপ আরও বাড়বে এবং তখন অন্যদের হস্তক্ষেপ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।” তেহরান মনে করে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের এই চাপই শেষ পর্যন্ত তাদের বিজয়ের হাতিয়ার হবে।

১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম, টালমাটাল বিশ্ববাজার

যুদ্ধের প্রভাবে আজ সোমবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় জ্বালানি বাণিজ্যে ধস নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি ও শেয়ার বাজারে এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে, যা একটি বড় ধরনের বৈশ্বিক মন্দার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত চিত্র:

বর্তমানে যুদ্ধ ১০ম দিনে গড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ইতিমধ্যে ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। তেহরান বর্তমানে সব ধরণের কূটনৈতিক আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী উপসাগরীয় দেশগুলো এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে।


যুদ্ধের নতুন অস্ত্র ‘জ্বালানি ব্ল্যাকমেইল’?

সামরিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এবার গতানুগতিক যুদ্ধের চেয়ে 'ইকোনমিক ওয়ারফেয়ার' বা অর্থনৈতিক যুদ্ধকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তেহরান খুব ভালো করেই জানে যে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তার একটি বড় অংশ নির্ভর করে মার্কিন অর্থনীতি এবং জ্বালানি তেলের স্থিতিশীল দামের ওপর।

যদি ইরান হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখতে পারে কিংবা উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনায় পরোক্ষ হামলা চালিয়ে তেলের সরবরাহ ব্যাহত করতে পারে, তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১৫০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আমেরিকাসহ ইউরোপের দেশগুলোতে মুদ্রাস্ফীতি আকাশচুম্বী হবে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর প্রচণ্ড রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। মূলত অস্ত্র দিয়ে ট্রাম্পকে রোখার চেয়ে, পকেট বা অর্থনীতির ওপর আঘাত করে তাকে পিছু হটতে বাধ্য করাই এখন তেহরানের মূল কৌশল।


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন