তানজিদ তামিমের অভিষেক সেঞ্চুরি:
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান ১০৫ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। সাইফ ৩৬ রানে ফিরলেও ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডেতেই সেঞ্চুরির দেখা পান তানজিদ তামিম। মাত্র ৯৮ বলে তিন অঙ্ক ছোঁয়া এই ওপেনার ১০৭ বলে ১০৭ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল ৬টি চার ও ৭টি বিশাল ছক্কার মার। এছাড়া লিটন দাসের ৪১ এবং তাওহীদ হৃদয়ের অপরাজিত ৪৮ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ২৯০ রানের বিশাল পুঁজি পায় স্বাগতিকরা।
তাসকিন-মুস্তাফিজের দাপট:
২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার বোলিং তোপে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। মাত্র ১৭ রানেই ৩ উইকেট হারায় তারা। তবে মিডল অর্ডারে সালমান আলী আগা রুখে দাঁড়ান। ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে তিনি যখন ১০৬ রানে আউট হন, তখন ম্যাচে উত্তেজনা তুঙ্গে। শেষ দিকে অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি ৩৭ রানের ইনিংস খেলে জয়ের আশা জাগালেও ১১ রান দূরে থাকতেই ২৭৯ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ৪৯ রানে ৪টি এবং মুস্তাফিজুর রহমান ৩টি উইকেট শিকার করেন।
টানা সিরিজ জয়ের নজির:
এর আগে ২০১৫ সালে মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বে পাকিস্তানকে ৩-০ তে হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১১ বছর পর আবারও দ্বিপাক্ষিক সিরিজে পাকিস্তানকে হারিয়ে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখল টাইগাররা।
একনজরে সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: তানজিদ হাসান তামিম।
ম্যান অব দ্য সিরিজ: তানজিদ হাসান তামিম এবং নাহিদ রানা (পাকিস্তান)।
ফলাফল: বাংলাদেশ ১১ রানে জয়ী এবং ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন