বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট সেবার কার্যক্রম এখন সারা দেশেই চালু হয়েছে। ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ থাকায় নাগরিকদের জন্য প্রক্রিয়াটি আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে।
ই-পাসপোর্টের জন্য প্রথমে যেতে হবে সরকারি ওয়েবসাইট www.epassport.gov.bd-এ। সেখানে “Apply Online” বা “নতুন আবেদন” অপশন বেছে নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্ট অফিস, মেয়াদ ও পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হয়। পাসপোর্টের মেয়াদ পাঁচ বা দশ বছর এবং পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪৮ বা ৬৪—নাগরিকরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাচন করতে পারেন।
আবেদন শেষে অনলাইন পেমেন্ট (বিকাশ, নগদ, কার্ড) অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়া যায়। জমার রসিদ প্রিন্ট করে রাখতে হয়। পরবর্তী ধাপে অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ নির্বাচন করে Application Summary ও Appointment Slip প্রিন্ট করতে হয়। নির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক জমা দিতে হয়। এ সময় আবেদনপত্র, অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লিপ, ফি জমার রসিদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি সঙ্গে রাখতে হয়।
বর্তমানে পাঁচ বছরের মেয়াদে ৪৮ পাতার সাধারণ ই-পাসপোর্টের ফি ৪,০২৫ টাকা এবং জরুরি সেবার জন্য ৬,৩২৫ টাকা। দশ বছরের মেয়াদে একই পাসপোর্টের ফি যথাক্রমে ৫,৭৫০ ও ৮,০৫০ টাকা।
সহায়তার জন্য ওয়েবসাইটে নির্দেশিকা ও ভিডিও টিউটোরিয়াল রয়েছে। এছাড়া হেল্পলাইন ১৬৪৪৫ নম্বরে ফোন করে তথ্য জানা যাবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন