নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
রাজধানীর কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড দীর্ঘদিন ধরেই যানজটের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন রাত ৯টার পর থেকে অসংখ্য আন্তঃজেলা বাস মূল সড়কের পাশে অবস্থান করে যাত্রী তোলার কারণে এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। কিন্তু এখানে কোনো বাস টার্মিনাল নেই, যেখানে এসব বাস অবস্থান করতে পারে।অথচ নিকটবর্তি দূরত্বে গাবতলী টার্মিনালে বাসগুলো অবস্থান করলে এ ধরনের যানজট তৈরি হতো না।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বাস মালিকপক্ষ যাত্রীদের সুবিধার জন্য কল্যাণপুর এলাকায় অসংখ্য কাউন্টার স্থাপন করেছে। যাত্রীরা এসব কাউন্টার থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যের টিকিট সংগ্রহ করেন। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় যখন প্রায় সব গন্তব্যগামী বাস সরাসরি কাউন্টারের সামনেই এসে যাত্রী তোলার জন্য অবস্থান করে। একই সঙ্গে একাধিক বাস সড়কে অবস্থান করায় যানজটের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
ভুক্তভোগীদের অভিমত, যদি বাসগুলোকে গাবতলী টার্মিনাল থেকে যাত্রা শুরু করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয় এবং কল্যাণপুরের কাউন্টারগুলো শুধু টিকিট বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়, তবে যানজট অনেকাংশে কমে আসবে। প্রয়োজনে যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট মিনি বাস বা শাটল সার্ভিস চালু করা যেতে পারে, যা কাউন্টার থেকে টিকিট কাটা যাত্রীদের টার্মিনালে পৌঁছে দেবে। এতে সড়কে বাস অবস্থান করার প্রয়োজন হবে না এবং কল্যাণপুর এলাকার যানজট অনেকটাই নিরসন হবে।
নিয়মিত যাতায়াতকারীদের অভিযোগ, এভাবে সড়কে বাস অবস্থান করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে সাধারণ মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
প্রশাসন, পরিবহন মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নিলে কল্যাণপুরের এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যে নগর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হলেও কল্যাণপুর ইস্যুতে কার্যকর পদক্ষেপ এখনো দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়ক দখল করে বাস থামানো বন্ধ করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করলেই এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া জরুরী
উত্তরমুছুনWe are suffering from this situation everyday
উত্তরমুছুনএকটি মন্তব্য পোস্ট করুন